The moment you accept what troubles you’ve been given, the door will open.

Power of sub-conscience mind অথবা অবচেতন মনের শক্তি

সাব-কনশাস মাইন্ড এর ব্যপারে অনেকেই জেনে থাকবেন। কিন্তু আমাদের দৈনন্দিন কাজে এটা কতটুকু প্রভাব ফেলে সেটা জানেন কি?

তার আগে বলে নিই কনশাস আর সাব-কনশাস এর পার্থক্য। যেই কাজ টি আমাদের নিজেদের ব্রেইন কে কমান্ড দিয়ে করাতে হয় সেটা কনশাস মাইন্ড এ ঘটে। অপরদিকে নিজের অজান্তেই আমরা যেই চিন্তা গুলি করে থাকি সেটা সাব-কনশাস মাইন্ড এর কাজ।

এবার আসি আসল কথায়। আমি বেশ কিছুদিন ধরে লক্ষ করেছি, ঘুমানোর ঠিক পূর্ব মুহূর্তে যতক্ষণ ঘুমাবো বলে আমি নির্ধারণ করি ঠিক ততোক্ষণ পরেই আমার ঘুম অটোমেটিকলি ভেঙে যায়। সবসময় এমন টা ই ঘটে যে ঘুম থেকে ওঠার পর আমাকে এলার্ম টা কেটে দিতে হয়।
আমি এর কারণ খুঁজতে শুরু করলাম।
তারপর সাইকোলজিক্যাল এক্টিভিটিস নিয়ে একটু ঘাটাঘাটি করে জানতে পারলাম, আমাদের ব্রেইন এর মাত্র ১০ ভাগ কনশাস মাইন্ড কাজ করে এবং ৯০ ভাগ ই কাজ করে সাব- কনশাস মাইন্ড নিয়ে। আর সাব-কনশাস মাইন্ড সবচেয়ে বেশি এক্টিভ থাকে ঘুমানোর ঠিক ৫ মিনিট পূর্বে। এসময় যা কিছু ভাবা হয়, সাব কনশাস মাইন্ড সেটাকেই ইনপুট আকারে নেয় এবং ব্রেইন কে সেভাবেই পরিচালনা করে। ঠিক যেমন টা প্রতিনিয়ত আমার সাথে ঘটে।
আল্লাহ্ রাব্বুল আল-আমীন আমাদের সাব-কনশাস মাইন্ড এ সকল প্রকার ভালো কাজ ওয়েব আকারে সাজিয়ে দিয়েছেন। যেই মুহূর্তেই আমরা কোনো কিছু নিয়ে পজিটিভ চিন্তা করি, সেই মুহূর্তেই সাব কনশাস মাইন্ড সেই চিন্তা নিয়ে সক্রিয় হয়ে ওঠে এবং নিজেদের অজান্তেই আমরা তার পজিটিভ রেজাল্ট পেয়ে যায়। হয়ত আমরা ভাবি এই সফলতার পেছনে কেবলমাত্র আমাদের কঠোর পরিশ্রম ই কাজ করে। কিন্তু এর পেছনে সাব কনশাস মাইন্ড এর অবদান কতটা তা আমরা বুঝে উঠতে পারি না।
একটি রিসার্চ এ দেখা গিয়েছে, একই রোগে আক্রান্ত কিছু মানুষকে দুটি দলে বিভক্ত করে এক দল কে সেই রোগের প্রতিষেধক দেওয়া হয় আর অপর দলকে ফেইক ঔষুধ খাওয়ানো হয়। এরপর উভয় দলকেই বলা হয়, “আপনাদের এই রোগের প্রতিষেধক দেওয়া হয়েছে, আপনারা খুব দ্রুত ই সুস্থ হয়ে যাবেন”। কিছুদিন পর দেখা যায় উভয় দলের লোক ই পুরোপুরি সুস্থ হয়ে উঠেছে।
আপনারা কি লক্ষ্য করেছেন রহস্য টা কোথায়? হ্যাঁ, ঠিকই ধরেছেন। একটি গ্রুপ কে ফেইক ঔষুধ দিয়ে কেবল কিছু পজিটিভ চিন্তা তাদের ব্রেইনে দেওয়া হয়, যেটা সাব কনশাস মাইন্ড ইনপুট আকারে নিয়ে সেই অনুযায়ী রোগ প্রতিরোধক হরমোন তৈরী করে এবং ঔষুধ ছাড়াই রোগী কে সুস্থ করে তোলে।
এবার হয়তো বুঝতে পেরেছেন সাব কনশাস মাইন্ড কিভাবে আমাদের প্রতিনিয়ত ভালো ও খারাপ দিকে পরিচালনা করে চলেছে।
তাই আমাদের উচিৎ সবসময় পজিটিভ চিন্তা করা যেটা নিজের অজান্তেই আমাদের সাফলতা বয়ে আনতে পারে। তাই আজ থেকে ” আমি পারবো না!” না বলে, বলুন “হ্যাঁ আমি পারবো”। এটাই আপনাকে আপনার লক্ষ্যে এগিয়ে নিয়ে যাবে।

Writer: Rasna Afroz

What’s your Reaction?
+1
0
+1
0
+1
0
+1
0
+1
0
+1
0
+1
0

1 Comment

  1. সাদ-সালমীন রাতুল

    খুবই সুন্দর গঠনমূলক আলোচনা।

Leave A Comment