Feel the sweetness in your own heart. Then you may find the sweetness in every heart.

😢ভাইরাল মেয়ে😢

(সুমি হঠাৎ ঘুম থেকে উঠে দেখে সবাই তার ঘরে, একের পর এক ফোন আসতেছে, কারো মুখে দিকে তাকানো যাচ্ছে না..
সে কিছু বুঝতেছে না, আসলে ঘটছেটা কী)
সুমির মা: এতখনে ঘুম ভাঙলো তোর, দেখ হারাম জাদাটা কী করেছে..
সুমির ভাই: ওকে বলে লাভ কী, যখন শাসন করতে চাইছিলাম তখনতো কেউ করতে দেওনি..
(এমন সময় সবাই ঘর থেকে বের হয়ে গেলো.. সুমি ফোনটা নিয়ে data on কারা মাত্র ফোনে আসতে শুরু করলে অসংখ্য notification..
সেগুলো দেখা মাত্র যেনো তার মাথায় আকাশ ভেঙে পরলো..
এমন সময় ফোন করলো তার প্রিয় মানুষটাকে)
স্বাধীন: কীরে জমিদারি ঘুম ভাঙলো তাহলো..
সুমি: কী বলছো এসব, আর এই সব কী, এগুলো কেনো করলে?
স্বাধীন: কেনো, দেখে মজা পাচ্ছি না.. comment গুলো পরে ভালো লাগচ্ছে??
সুমি: এই গুলো কী, তুমিতো ছবি চাইতে, না দিলে কত রাগ করতে, আর এখন??
স্বাধীন: হা হা হা, খুব টাকার দেমাক না তোদের, খুব অহংকার ছিলো না রূপের, দিছিনা সব ভেঙে.
সুমি: কী বলছো এসব, আমি কবে অহংকার করলাম, আমিতো সব সময় তোমার পাছে ছিলাম.. plz এসব delete করো, তোমার পায়ে পরি..
স্বাধীন: এখনতো এগুলো delete করা যাবে না, এগুলো তো শুধু আমার কেছে নেই এখন, এগুলো কত লোকের time lain, group & page চলে গেছে, এখনতো তুই ভাইরাল টপিক.. হা হা হা..
সুমি: কাদঁতে কাদঁতে ফোন কেটে দিলো..
(এই ভাবে কেটে গেলো কয়েক মাস, নিজেকে রুমে বদ্ধ করে কটে গেলো তার..
হঠাৎ তার ভাই তার ঘুম ভাঙলো)
সুমির ভাই: কিরে পাগলি কতদিন মন খারাপ করে থাকবি, কত দিন তোর রান্না খাই না, চল আজ এক সাথে সবাই রান্না করবো..
সুমি: ঠিক আছে ভাইয়া..
(এইবলে রান্না ঘরে গেলো, আজ সুমিকে তার ভাইয়ের এক বন্ধু দেখতে আসছে, তারা পছন্দ করেছে, ছেলেটা দেখা করতে চেয়েছে, সুমি নিরুপায় হয়ে মেনে নিলো..
একদিন বিকালে দেখা করলো, হোটেলে গিয়ে ওর মনে ভয়, “কখন জানি কে কী বলে”
এমন সময় ছেলেটা বললো)
ছেলে: চিন্তা করো না, এখানে কেউ তোমাকে চিন্তে পারবে না..
সুমি: না, আসলে একটা প্রশ্নে করতে পারি?
ছেলে: কী বলবে, আমি তোমাকে বিয়ে দয়া করছি কেনো??
সুমি: এটা কী দয়া না??
ছেলে: তোমাকে একটা গল্প বলি, “আমার একটা বোন ছিল, যার ছবি এমন এলাকার ছেলেদের কাছে গেছিলো, বিষয়টা বড় হওয়ার আগে আমি সামলে নিছিলাম ঠিকই, কিন্তু বোনটাকে বাচঁতে পারিনি😭😭..
সুমি: বিয়ের পর আপনার পরিবারে আমাকে নিয়ে সমস্যা হলে কী করবেন?
ছেলে: সবাইকে বুঝাবো, মাকে বলেবো, মনে নিতে.. আর তোমাকে বলবো, মানিয়ে নিতে..
সুমি: কথা গুলো শুনে কেঁদে ফেললো..
ছেলে: কেঁদো না.. আসলে আমাদের সমাজে মেয়েদের রুচিবোধ এত নিচু না, তারা ছেলেদের ছবি বা ভিডিও দেখে মজা নেয় না..
তাইতো ছেলেরা ভাইরাল হয় না, ভাইরাল হয় মেয়েরা.. ছেলেরা আত্মাহত্যা করে না, করে মেয়েরা..
(এর পর তাদের বিয়ে হলো, একবছর পরে ঘর আলো করে, একটা ছেলে এলো, সবাই খুব খুশি..
দেখতে দেখতে কেটে গেলো আরও দুটো বছর, হঠাৎ একদিন স্বাধীনের sma আসলো)
স্বাধীন: কেমন আছো??
সুমি: আমিতো খুব ভালো, আপনি?
স্বাধীন: আছি কোনো রকম..
সুমি: বিয়ে করেন নাই, নাকি এখনো মেয়েদের জীবন নষ্ট করার ব্যবসা চলচ্ছে..
স্বাধীন: এই সব কথা এখনো মনে রেখেছো?? এখনো আমাকে ক্ষমা করতে পারো নি??
সুমি: আপনাকে তো কবে ক্ষমা করে দিয়েছি..
আমি চাই আপনি বিয়ে করে নেন, অনেক ভালোবাসেন নিজের প্রিয়তমাকে.. আপনার ঘর আলো করে আসুক একটা সুন্দর মেয়ে.. আপনিও একটা মেয়ের বাবা হন..
(গল্প টা পরার অনুরোধ রইলো, আর কিছু শিক্ষনীয় থাকে গ্রহণ করার আবেদন রইলো, কেমন লেগেছে, আপনার মূল্যবান মতামত আশা ব্যক্ত করছি)
@অনাসক্ত আমি

What’s your Reaction?
+1
0
+1
0
+1
0
+1
0
+1
0
+1
0
+1
0

Leave A Comment