অজ্ঞতার মধ্যে জ্ঞানের বিস্তার যেন অন্ধকারের মধ্যে আলোর প্রবেশ

— ব্রেশি

সাইকোলজিক্যাল ফ্যাক্ট বা মনস্তাত্ত্বিক কৌশল

সবাই নিজেকে অন্যদের তুলনায় জ্ঞানী ও সচেতন হিসেবে প্রদর্শন করতে চায়। নিজের পান্ডিত্য জাহির করতে চায়। নিজেকে অন্যের সামনে গ্রহণযোগ্য করার কিছু কৌশল আছে। চলুন জেনে নেই মানুষের প্রাথমিক মনস্তাত্ত্বিক কৌশলগুলো।
মনস্তাত্ত্বিক কৌশল বা হিউম্যান সাইকোলজিক্যাল ফ্যাক্ট সম্পর্কে আমরা অনেকেই জানিনা।মনস্তাত্ত্বিক কৌশল সম্পর্কে জানলে আশেপাশের মানুষের আচরণ ও ভাব ভঙ্গি সহজে বুঝতে পারা যায়।
• যোগাযোগের ক্ষেত্রে:
কারো কাছ থেকে কিছু জানার হলে কপালের দিকে তাকিয়ে বা চোখের দিকে তাকান। মিথ্যা বললে চোখ নামিয়ে ফেলবে।
কাউকে কিছু জানাতে হলে লিখে জানাতে পারেন। এখন বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম যেমন ফেসবুক, টুইটার, ইনস্ট্রাগ্ৰাম বা এস এম এস মানুষের যোগাযোগ ব্যবস্থা কে উন্নত করেছে।
• ব্যক্তিত্ব বজায় রাখতে:
ব্যক্তিত্ব বজায় রাখতে নিজের অঙ্গ ভঙ্গি, কথা বার্তায় পরিপাটি হন।
কোনও কাজে যাচ্ছেন বা পরীক্ষা দিতে যাচ্ছেন নার্ভাস লাগছে? ব্রেইন কে বুঝান আপনি পারবেন, আপনার পক্ষে সব সম্ভব। দেখবেন সহজেই কাজটা করতে পারবেন। নার্ভাস লাগবেনা।
• শান্ত থাকতে:
কোনও কারণে উত্তেজনা বোধ করলে ঘরে একটি নীল বা সবুজ আলোর লাইটের ব্যবস্থা রাখুন। এটি আপনাকে শান্ত ও স্থির থাকতে সাহায্য করবে প্রয়োজনীয় হরমোন নিঃসরণে সাহায্য করবে।
• রাগ সংবরণে:
কারো দ্বারা অপমানিত হলে বা কারো কটু কথায় কষ্ট পেলে প্রতিবাদ না করতে পারলে হীনমন্যতায় ভুগতে থাকতে হয় সারাজীবন। সেক্ষেত্রে ডায়রিতে সব লিখে রাখুন।দেখবেন ভালো অনুভব করছেন।
জীবনে চলার পথে অনেক কিছুই ঘটবে। এই কৌশল গুলো মেনে চলুন। দেখবেন স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করছেন।

Writer: শায়লা নাজনীন

What’s your Reaction?
+1
0
+1
0
+1
0
+1
0
+1
0
+1
0
+1
0

Leave a Reply