Journey from the self to the Self and find the mine of gold. Leave behind what is sour and bitter and move toward the sweet.

সত্যজিৎ রায় এবং অপু ত্রয়ী

সত্যজিৎ রায় এবং অপু ত্রয়ী

বাংলা সিনেমার কথা শুনলেই যে মহা পুরুষের কথা সর্বপ্রথম মাথায় আসবে তিনি হলেন সত্যজিৎ রায়। যার হাত ধরেই বাংলা সিনেমা পেয়েছিলো অন্য রুপ। অপু ত্রয়ী বা অপু ট্রিলজি। পথের পাঁচালি, অপরাজিত এবং অপুর সংসার এই তিনটি বাংলা চলচ্চিত্র একত্রে অপু ত্রয়ী বা ট্রিলজি হিসেবে পরিচিত। তিনটি চলচ্চিত্রই তৈরী করেছেন বাংলা চলচ্চিত্রের মহাপুরুষ সত্যজীত রায়। এরমধ্যে পথের পাঁচালি সত্যজিৎ রায়ের তৈরী প্রথম সিনেমা। পথের পাঁচালীতে উঠে এসেছে বাংলার গ্রামের এক নিন্মবিত্ত ব্রাহ্মণ পরিবারের দিনলিপি এবং সংগ্রাম । কিশোরী দূর্গার চাওয়াপাওয়া,চঞ্চলতা বেদনা। এরইমাঝে সেই পরিবারে জন্ম নেয়া শিশু অপুর বেড়ে উঠা। অপরাজিততে অপুর কৈশোর কাল এবং যৌবনকালের সংগ্রাম ফুটে উঠেছে। অপু ট্রিলজির শেষ পর্ব হলো অপুর সংসার। যে সিনেমায় অপুর জীবনে প্রেম আসে,বিরহ আসে। অপু নিজেই একজন সন্তানের পিতা হিসেবে আবিষ্কৃত হয়। বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপন্যাস অবলম্বনে তৈরী ট্রিলজির প্রথম দুটি অংশ। তিনটি সিনেমারই চিত্রনাট্য,প্রযোজনা এবং পরিচালনা করেন সত্যজীত রায়। চিত্রগ্রাহক ছিলেন সুব্রত মিত্র এবং সম্পাদনা করেন দুলাল দত্ত। সিনামাগুলোতে সুর করেছিলেন রবিশংকর। মূখ্য ভুমিকাগুলোতে অভিনয় করেছিলেন কানু বন্দ্যোপাধ্যায়, করুণা বন্দ্যোপাধ্যায়, সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়,চুনিবালা দেবী, সুবীর বন্দ্যোপাধ্যায় , উমা দাশগুপ্ত এবং শর্মিলা ঠাকুর। অপু ট্রিলজির প্রথম সিনেমা ‘পথের পাঁচালির জন্য সত্যজিৎ রায় পান অস্কার এবং ১৯৫৬ সালে কান চলচ্চিত্র উৎসবে সেরা ‘হিউম্যান ডকুমেন্ট প্রাইজ’ জিতে নেয়। এই তিনটি সিনেমা বাংলা চলচ্চিত্রের ইতিহাসে স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে যুগের পর যুগ।

Writer: প্রজ্ঞা আহম্মদ জ্যোতি
What’s your Reaction?
+1
0
+1
0
+1
0
+1
0
+1
0
+1
0
+1
0

Leave a Reply