Lovers don’t finally meet somewhere, They’re in each other all along.

আমি যেভাবে কোভিড-১৯ মহামারীর মাঝে নিজের ইতিবাচক মনোভাব ধরে রেখেছি

কোভিড-১৯ যা করোনা ভাইরাস সাম্প্রতিক সময়ে এশিয়ার বিভিন্ন অংশ এবং এর বাইরেও দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে এই ভাইরাস। সাধারণ সতর্কতা অবলম্বন করে এই ভাইরাসটির সংক্রমণ ও বিস্তারের ঝুঁকি কমিয়ে আনা যায়।

কতটা ভয়ংকর এই ভাইরাস?

শ্বাসতন্ত্রের অন্যান্য অসুস্থতার মতো এই ভাইরাসের ক্ষেত্রেও সর্দি, কাশি, গলা ব্যথা এবং জ্বরসহ হালকা লক্ষণ দেখা দিতে পারে । কিছু মানুষের জন্য এই ভাইরাসের সংক্রমণ মারাত্মক হতে পারে। । তবে খুব কম ক্ষেত্রেই এই রোগ মারাত্মক হয়। এই ভাইরাস সংক্রমণের ফলে বয়স্ক ও আগে থেকে অসুস্থ ব্যক্তিদের মারাত্মকভাবে ঝুঁকিতে।

মাস্ক পরিধানঃ

করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে মাস্ক পড়া কার্যকরী একটি পদক্ষেপ আমি মনে করি।

ইতিবাচক মনোভাব ধরে রাখার জন্য আমার কিছু নির্দেশনাঃ

১. সরকারি ও বেসরকারি অফিসে কর্মরত কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং সেবাগ্রহীতাদের বাধ্যতামূলকভাবে মাস্ক ব্যবহার করতে হবে। সংশ্লিষ্ট অফিস কর্তৃপক্ষ বিষয়টি নিশ্চিত করবে।

২. শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, মসজিদ, মন্দির ও গির্জাসহ সকল ধর্মীয় উপাসনালয়ে মাস্ক ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে।

৩.সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালসহ সকল স্বাস্থ্য সেবা কেন্দ্রে আসা সেবাগ্রহীতাদের আবশ্যিকভাবে মাস্ক ব্যবহার করতে হবে।

৪.হাট-বাজারে ক্রেতা-বিক্রেতাদের মাস্ক ব্যবহার করতে হবে। মাস্ক ছাড়া কেউ পণ্য কেনা-বেচা করবেন না।

৫. সড়ক, নৌ, রেল ও আকাশপথে সব ধরনের গণপরিবহনে চালক, চালকের সহকারী, এবং যাত্রীদের মাস্ক ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে। গণপরিবহনে চড়ার আগেই যাত্রীদের মাস্ক পরতে হবে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এবং মালিক সমিতি বিষয়টি নিশ্চিত করবে।

৬. পোশাক কারখানাসহ সকল শিল্প কারখানায় কর্মরত শ্রমিকদের মাস্ক ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃকপক্ষ ও মালিকরা বিষয়টি নিশ্চিত করবেন।

৭. হকার, রিকশা ও ভ্যানচালকসহ সকল পথচারীকে মাস্ক ব্যবহার করতে হবে।

৮. হোটেল ও রেস্তোরাঁয় কর্মরত ব্যক্তি এবং জনসমাবেশ চলাকালে আবশ্যিকভাবে মাস্ক পরতে হবে।

৯. সব ধরনের সামাজিক অনুষ্ঠানে আসা ব্যক্তিদের মাস্ক নিশ্চিত করতে হবে। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান প্রধান নিশ্চিত করবেন।

১০. বাড়িতে কারও করোনাভাইরাসের উপসর্গ থাকলে পরিবারের সুস্থ সবার মাস্ক ব্যবহার করতে হবে।

বাংলাদেশে বসবাসরত সবার জন্যই এ নির্দেশনা প্রযোজ্য।

করোনা ভাইরাসের জন্য সরকার অনুমোদিত সার্জিক্যাল মাস্ক পড়েছি।মাস্ক পরিধান না করলে জরিমানা ধার্য করা উচিত আমি মনে করি।

ভাইরাস থেকে বাচার জন্য সচেতনতাই বড় ভূমিকা পালন করে। নিয়মিত স্যানিটাইজার বা সাবান পানি দিয়ে ২০ সেকেন্ড হাত ধুয়েছি।

মিনিমাম ৩ ফুট দূরে থাকার আহ্বান জানাচ্ছি। সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখেছি।

ইতিবাচক মনোভাবঃ

যখন কর্মক্ষেত্র, ব্যবসায় বা অন্য কোনো ব্যাপারে কর্মদক্ষতার কমতি দেখা যায় তখন ইতিবাচক মনোভাবের জন্য ‘সুপারচার্জ’এর মতো কাজ করবে।এটা কখনো স্বতঃস্ফূর্তভাবে গড়ে ওঠেনা। এর জন্য প্রয়োজন কিছুটা চেষ্টা ও সদিচ্ছার মিলিত প্রচেষ্টা।

আসুন সবাই করোনাকে মোকাবেলা করি।

নিজে সুস্থ থাকি

পরিবারকে সুস্থ রাখি

সর্বোপরি দেশের কল্যানে নিয়োজিত থাকি।

Writer: Al-Fatiha Nafsi

What’s your Reaction?
+1
0
+1
0
+1
0
+1
0
+1
0
+1
0
+1
0

Leave a Reply